Latest on ZBC
Home / Gossips / অভিনেতা বনি’র সঙ্গে কিছু কথা

অভিনেতা বনি’র সঙ্গে কিছু কথা

প্রেম, বিচ্ছেদ, কেরিয়ার, কুসংস্কার থেকে হবি – বিভিন্ন বিষয় উঠে এল বনি’র সঙ্গে এক অন্তরঙ্গ আড্ডায়।

 

১. কীভাবে এসে পড়লেন বিনোদনের জগতে, এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে? কোন ঘটনা থেকে উৎসাহ পেয়েছিলেন বা বিশেষ কেউ অনুপ্রাণিত করেছিলেন?

আমার ইচ্ছে ছিল ডিরেক্টর হওয়ার কারণ আমার বাবা, অনুপ সেনগুপ্ত ছিলেন ডিরেক্টর আর আমি বাবার সঙ্গে সহকারী হিসেবে কাজও করেছি। তাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে আমার আগ্রহের প্রধান কারণ সেটাই। তারপর ২০১০ সাল নাগাদ আমি পোর্টফোলিও তৈরী করে SVF-এর শ্রীকান্ত মোহতার সঙ্গে যোগাযোগ করি। কিন্তু শ্রীকান্তদা আমাকে বললেন যে আমার বয়স খুবই কম, ইন্ডাস্ট্রিতে আসার উপযুক্ত নই তখনও। তারপরে আমি প্রায় ৩ বছর অপেক্ষা করেছিলাম। এর মধ্যে সৃজিত দা ডেকেছিলেন ‘কাকাবাবু’র জন্যে কিন্তু সেটা হয়ে ওঠেনি নানান কারণে। এইরকম সময়ে হঠাৎই রাজ দা, মানে রাজ চক্রবর্তী, ফোন করলেন একদিন, বললেন যে শ্রীকান্ত দা’র কাছে আমার কথা শুনেছেন, তো একটা চরিত্রের ব্যাপারে আমার সঙ্গে দেখা করতে চান। দেখা করলাম। রাজ দা বললেন যে একটি innocent আর ‘Boy Next Door’ চরিত্রের জন্যে কাস্টিং করছেন আর আমি ওই চরিত্রের জন্যে বেশ মানানসই – আর সেই সঙ্গে আমি হয়ে গেলাম রাজ দা’র পরের ছবির হিরো। আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এটা জেনে যে রাজ দা আমাকে নায়কের চরিত্রের জন্যে ভেবেছেন! তখন আমার ওজন ছিল ৯৪ কেজি – রাজ দা আমাকে বললেন যে আমাকে বাইক চালানো শিখতে হবে আর ওজন কমিয়ে ৬০ কেজি’তে নিয়ে আসতে হবে! সেই সঙ্গে চরিত্রটির জন্যে তৈরী হতে নিয়মিত ওয়ার্কশপ করতে হবে আর সেটাও রাজ দা’র সঙ্গে। আর এইভাবেই ‘বরবাদ’ তৈরী হল আর আমি হয়ে গেলাম হিরো – এর জন্যে SVF আর রাজ দা’কে আমার ধন্যবাদ। সেই দিনটা ছিল আমার জীবনের সব থেকে আনন্দের দিন।

২. আপনি কোন কুসংস্কারে বিশ্বাস করেন? বিশেষ করে যখন আপনার সিনেমা রিলিজ করে বা আপনি নতুন কোন ছবিতে কাজ শুরু করেন?

সেভাবে ভাবলে, হ্যাঁ! আমি নীল রঙ পছন্দ করি। ছোটবেলায়, স্কুলে রেজাল্ট বেরনোর দিন আমি নীল রঙের কোন একটা জিনিস সঙ্গে রাখতাম – কারণ, নীল রঙ আমার ভালো লাগত আর কবে থেকে যেন বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলাম যে নীল রঙ আমার জন্যে lucky! তাই ‘বরবাদ’ আর ‘পারব না আমি ছাড়তে তোকে’ এই দুটি সিনেমা রিলিজের দিনই আমি নীল পরেছিলাম। নীল আমার lucky colour – এটা আমার মনে হয়, মনের মধ্যে গেঁথে গেছে ধারণাটা।

৩. আপনি সাফল্যকে কীভাবে define করবেন? আপনার কাছে সাফল্যের অর্থ কী?

আমার জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আমি সাফল্যের স্বাদ পেতে চাই। জীবনে যাই করি না কেন আমি তার সর্বোচ্চ শিখরে উঠতে চাই। কোন অবস্থাতেই কোন কাজে আমি অসফল হতে চাই না। আমি সাফল্যের মূল্য বুঝি – I don’t want to take success for granted in life – যেমন অনেক সফল নায়ক নায়িকারা করে থাকেন, তাঁদের attitude পাল্টে যায়। আমি চাইনা আমার আড়ালে দর্শকরা বলুক যে সফল হওয়ার পরে আমার হাব ভাব পাল্টে গেছে, আমার ব্যবহার পাল্টে গেছে। আমার কাছে সাফল্য মানে নিজের শিকড়কে না ভুলে, মাটিতে পা রেখে এগিয়ে চলা। আজ আমি যা হতে পেরেছি, তার জন্যে আমি খুবই খুশি আর আমি কৃতজ্ঞ রাজ দা’র কাছে আমাকে গাইড করার জন্যে আর এই ভাবে সাহায্য করার জন্যে। আমি সব সময় রাজ দা’র কথা শুনেছি, এখনও শুনি – রাজ দা বলেন যে আমার এই সারল্য যেন আমি কখনও নষ্ট হতে না দিই।

৪. দর্শক আপনাকে অভিনেতা হিসেবে মনে রাখবে, না কি নায়ক – আপনি কোনটা চান?

সবার আগে আমি একজন অভিনেতা – তারপরে নায়ক। দর্শকেরা যদি আমাকে অভিনেতা হিসেবে মনে রাখেন, সেটা হবে আমার বিরাট এক প্রাপ্তি। আমার মনে হয় এটা সব অভিনেতারই কাম্য। আমি তো mainstream-এর সঙ্গে সঙ্গে parallel সিনেমাতেও কাজ করতে চাই। আমি কোন চরিত্রকে negative বা positive এই ভাবে দেখি না – আমার কাছে প্রতিটি চরিত্রই চ্যালেঞ্জিং আর আমি নানান ধরণের চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। একজন সফল অভিনেতা হিসেবে আমি নিজেকে দেখতে চাই এবং সেটা কোনও এক ধরনের চরিত্রের জন্য নয় – যে কোন চরিত্রেই। আমার দাদু সুখেন দাস যেমন বিভিন্ন রকম চরিত্রে অভিনয় করেছেন – নায়ক, কমেডিয়ান, ভিলেন! আমার মা পিয়া সেনগুপ্ত সেই একই কাজ করেছেন। এনারা দুজনেই আমার inspiration – তাই শুধু হিরো নয়, আমি negative চরিত্রে কাজ করতে পেলেও খুশি হব।

৫. ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার বেস্ট ফ্রেন্ড কে?

এটা খুব শক্ত প্রশ্ন। এই সিনেমার জগতে, কেউ কারোর বেস্ট ফ্রেন্ড হয় বলে মনে হয় না। তবু, ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কয়েকজন ভালো বন্ধু আছে – তারা আমাকে নানা ভাবে সাহায্য করে, সঙ্গে থাকে, আমিও তাদের ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি।

৬. বয়স কম, ভালো ফর্মে আছেন, সফল নায়ক – বলিউডে যাওয়ার চেষ্টা করছেন না?

হ্যাঁ, বলিউড থেকে অফার আসছে। কিন্তু আমার SVF-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ – তাই বাইরে থেকে কোন অফার এলে SVF-এর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। যেমন কিছুদিন আগেই T Series -এর কাছ থেকে একটা হিন্দি ছবির জন্যে অফার এসেছিল, হিরোর চরিত্রের জন্যে। যিনি Bindaas-এর “Emotional Atyachar” ডিরেক্ট করেছেন, তার ছবি। আমি না বলে দিয়েছি, যদিও আমি জানতাম এই ছবির promotion আর publicity অবশ্যই ভালো হবে কারণ T Series -এর ছবি। আমি মনে করি এখানে আমাকে আরও ভালো কাজ করতে হবে, আরও বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে কাজ করতে হবে – তবেই বলিউডের জন্যে আমি আরও ভালো ভাবে তৈরি হতে পারব। আমি বলিউডে যেতে চাই, কিন্তু এই মুহূর্তে কোন তাড়াহুড়ো নেই।

৭. আপনার ব্যক্তিগত জীবন ও প্রেম বিষয়ে কিছু বলুন?

সকলেই জানেন যে দিঠির সঙ্গে আমার একটা সম্পর্ক ছিল। দিঠি কলকাতাতেই মডেলিংএ কাজ করে। প্রায় দেড় বছর আগে আমরা আলাদা হয়ে যাই। দিঠি মডেলিংএ খুবই সফল। এটা খুবই দুঃখের যে আমাদের সম্পর্কটা এখন আর নেই। ‘পারব না আমি ছাড়তে তোকে’ করার সময়ই আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। আমি ওকে খোলাখুলি জানিয়েছিলাম যে আমার হিরোইনের সঙ্গে আমি flirt করছি – ও মনে হয় এই ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেনি। ‘পারব না আমি ছাড়তে তোকে’ ছবিতে কাজ করার জন্যেই আমাকে আমার হিরোইনের সঙ্গে বন্ধুর মত মিশতে হত, flirt করতে হত, নিজেদের যথেষ্ট space দিতে হত, যাতে আমাদের বোঝাপড়াটা ভালো হয়, আর কাজতও ভালো হয়। দিঠি এটা ঠিক বুঝতে পারেনি কারণ, মনে হয়, ও তো অভিনয় জগতের লোক নয়। তাই personal আর professional জায়গা থেকে অনুভুতি গুলো যে আলাদা হয়ে যায় এটা ও ঠিক মেনে নিতে পারেনি। তাই আমরা আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই এবং নিজেদের কাজে মন দেব বলে ঠিক করি। তারপর থেকে আমার আর কোন সম্পর্ক গড়ে ওঠেনি। আমি এখনও আমার কাজ, ফিটনেস, আর কেরিয়ার সংক্রান্ত বিষয় নিয়েই ব্যস্ত আছি।
তাছাড়া আমার পরিবারে আমি একমাত্র earning member – আমার বাবা বহুদিন ধরেই অসুস্থ আর আমার মা EIMPA-এর সঙ্গে যুক্ত আছেন, যেটা অনেকটাই social work করার মতো। যেহেতু সংসার চালানোর দায়িত্ব আমারই, প্রতিটি পদক্ষেপ খুব ভাবনা চিন্তা করে নিতে হয় আমাকে। জীবন যুদ্ধ সহজ নয়, আমার জন্যে তো নয়ই।

৮. ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার সময় কখনো কোন ঘটনায় আঘাত পেয়েছেন? এমন কোন অভিজ্ঞতা যাতে আপনার এবং আপনার কেরিয়ারের ক্ষতি হয়েছে?

এরকম বেশ কিছু ঘটনা আছে, বেশ কিছু খারাপ সময় আছে যার মধ্যে দিয়ে গিয়েছি। যে প্রোডাকশন হাউসের সঙ্গে এখন কাজ করছি, সেই হাউস থেকেই আগে অনেকগুলো অফার পেয়েছিলাম যেগুলো প্রথমে বেশ পসিটিভ মনে হলেও পরে কাজটা আসেনি আমার কাছে। আমার খারাপ লেগেছে, কষ্ট পেয়েছি। তারপরে একদিন সরাসরি কথা বললাম শ্রীকান্ত মোহতা’র সঙ্গে, জানতে চাইলাম বার বার কেন একই ঘটনা ঘটছে, কেন আমি অফার পেয়েও কাজটা শেষ পর্যন্ত পাচ্ছি না – আমার নিজের কী কোন ত্রুটি আছে? তাহলে সেটা আমি শুধরে নিতে পারি। উত্তরে শ্রীকান্ত দা বলেছিলেন যে সমস্যটা হল আমার বয়স। আমার বয়স কম, যে কারণে সিনেমার পর্দায় তখনকার নায়িকাদের তুলনায় আমাকে দেখতে অনেকটাই কম বয়স মনে হত। “প্রেম কি বুঝিনি” ছবিতেও কাজ করতে পারিনি ওই একই কারণে – শুভশ্রী’র তুলনায় আমাকে অনেক কম বয়স দেখতে লাগত, যেখানে ওই সিনেমাতে খুবই matured হিরো আর হিরোইন প্রয়োজন ছিল। এই বিষয়টা ভাবলে খারাপ লাগে, কিন্তু আমি আশা রাখি যে নিশ্চয় ভালো কাজ করার সুযোগ আমি পাব আগামী দিনে।

৯. দক্ষিণের সিনেমায় কাজ করার কোন ইচ্ছে আছে না কি?

দক্ষিণ ভারতের প্রোডিউসারদের কাছ থেকে বেশ কিছু ভালো অফার পেয়েছি। আর সবগুলোই লিড রোলের জন্যে। কিন্তু ব্যাপারটা বেশ কঠিন – নতুন একটা ভাষা শিখে কাজ করাটা এই মুহুর্তে আমার পক্ষে বেশ কঠিন। যদি একাধিক ভাষায় তৈরি হয় ছবিগুলো, তাহলে আমি হয়ত হিন্দিতে কাজ করতে পারি, কিন্তু তামিল বা তেলুগু ভাষায় কাজ করাটা আমার পক্ষে সম্ভব নয় এই মুহুর্তে। যদিও অফারগুলো পেতে বেশ ভালোই লাগে, কনফিডেন্স বাড়ে – তবুও আমি দক্ষিণের সব প্রোডিউসারকে আপাতত না বলে দিয়েছি।

১০. এখানকার অনেকেই তো হিন্দি টেলিভিশনে কাজ করতে চলে গেছেন? আপনার সে রকম কোন ইচ্ছে নেই?

জানি না কেন, টেলিভিশনের প্রতি আমার তেমন কোন আকর্ষণ নেই। টেলিভিশনে কাজ করতে গেলে – সেটা বাংলা হোক বা হিন্দি – অনেক সময় দিতে হয়। আমি একজন fitness freak আর I love to dance – তাই যে কোন dance training, আমার martial art classes, gym – সব রুটিন পাল্টে যাবে, যদি আমি টেলিভিশনে কাজ করতে যাই। এখন আমি Zushi Zitshu শিখছি – থাইল্যান্ডের martial art form – তাই এই মুহুর্তে টেলিভিশনে কাজ করতে চলে গেলে এসব কিছু করার সময় পাব না।

১১. আপনার হবি কী?

ড্যান্সিং আমার হবি। আমি নিয়মিত practice আর training করতে ভালোবাসি। তাছাড়াও আমি একজন Playstation addict – যখনই সময় পাই, Playstation নিয়ে মেতে উঠি। আর অবশ্যই সিনেমা দেখতে ভালোবাসি – সব ধরনের সিনেমা দেখতে পছন্দ করি।

১২. অভিনয় ছাড়া অন্য কিছু করার পরিকল্পনা আছে ভবিষ্যতে?

সত্যি কথা বলতে, আমার প্রোডিউসার হিসেবে কাজ করার ইচ্ছে আছে। এই ব্যাপারে মা বাবা’র সঙ্গেও কথা বলেছি। আমার বাবা তো ফিল্ম ডিরেক্ট করেছেন আর মা, অভিনয়ের পাশাপাশি, এক্সিকিউটিভ প্রোডিউসার হিসেবে কাজ করেছেন। তাই এই বিষয়গুলো আমার মধ্যে খুব স্বাভাবিক ভাবেই আছে। সঠিক সময় এলে, আমি টেলিভিশনে প্রোডিউসার হিসেবে কাজ করতে চাই, আর তাহলে আমার বাবা আর মা দুজনেই আবার কাজের মধ্যে ফিরতে পারবেন। আর আমি হয়ত টাকা পয়সার দিকটা দেখব। আমি খুবই সিরিয়াস এই ব্যাপারে – আশা করি, কোন দিন আমি এই জায়গাতে পৌঁছতে পারব।

১৩. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? বিয়ে করছেন কবে?

৩০-এর আগে বিয়ে করব না। ৩২ বছর বয়সের আগে ছেলেরা ঠিক ঠাক settle হতে পারে না বলে আমার মনে হয়। আজ থেকে পাঁচ বছর পরে আমি আরও ভালো ভাবে settle হতে পারব। এমনিতেই এখন আমার পরিবারের দায়িত্ব আমার ওপর – তার সঙ্গে আরও নতুন কিছু দায়িত্ব নিতে পারব না এক্ষুনি। আর্থিক দিকটা আর একটু সামলে নিয়ে নিশ্চয় বিয়ের ব্যাপারে ভাববো।

১৪. কোন ডিরেক্টরের সঙ্গে কাজ করে সব থেকে ভালো লেগেছে এখনও পর্যন্ত?

রাজ দা’র সঙ্গে কাজ করে সব থেকে ভালো লেগেছে। আমি রাজ দা’র সঙ্গে সব থেকে বেশি কাজ করেছি। যদিও একটা সিনেমা করেছি রাজীব দা’র সঙ্গে, তবু রাজ দা’র সঙ্গে কাজ করে সব থেকে বেশি আনন্দ পেয়েছি। কারণ রাজ দা জানেন কী ভাবে একজন অভিনেতাকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিতে হয়। রাজ দা কখনই বলেন না কোন চরিত্রকে নকল করতে, চরিত্র এবং স্ক্রিপ্ট বুঝিয়ে দেন, তারপরে হয়ত কোন সিনেমার রেফারেন্স দিয়ে বলেন কাজ শেষ হওয়ার পরে ওই সিনেমাটা দেখতে। রাজ দা খুব ভালো ভাবে জানেন উনি কী চাইছেন, আর নিজের মতো করে আমাদের দিয়ে সেটা করিয়েও নিতে জানেন। অনেক কিছু শিখেছি রাজ দা’র কাছে – আমার প্রতিটি কাজে, প্রতিটি পদক্ষেপে রাজ দা গাইড করেছেন, এর জন্যেও আমি ওনার কাছে কৃতজ্ঞ। যখন দিঠির সঙ্গে আমার সম্পর্কটা ভেঙ্গে গেল, রাজ দা নানা ভাবে সাহায্য করেছিলেন, বলেছিলেন কাজের মধ্যে ব্যস্ত থেকে বাকি সব ভুলে যেতে। আমি অনেক পরিণত অভিনেতা এবং মানুষ হতে পেরেছি রাজ দা’র জন্যেই। He is my GODFATHER.

১৫. অভিনেতা হিসেবে কোন বিশেষ ইচ্ছে? কোন বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছে?

অবশ্যই! রণবীর কাপুরের Yeh Jawani Hain Deewani খুব ভালো লেগেছিল। সিনেমাটার সম্পর্কে কথা বলতেই রোমাঞ্চ লাগে। যে পরিমাণ এনার্জি ছিল এই সিনেমাতে, রণবীর এতো ভালো কাজ করেছে, সেটা প্রশংসা করার মতো। এই ধরনের কোন চরিত্রে কাজ করতে পেলে খুব ভালো লাগবে।